Academic Calendar of Department of Sanskrit

সংস্কৃত বিভাগ (১৯২১)

নমিতা মন্ডল

চেয়ারম্যান

১৯২১ সনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকালে কলা অনুষদে ছিল বারটি বিভাগ। এর মধ্যে সংস্কৃত একটি। বিভিন্ন সময়ে বিভাগটির নাম পরিবর্তিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠার সময়ে এর নাম ছিল ‘স্যান্সক্রিটিক স্টাডিজ এন্ড স্যান্সক্রিট এন্ড বেঙ্গলি’। ছ-জন শিক্ষকের মধ্যে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ছিলেন বিভাগীয় প্রধান, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ ছিলেন বাংলার প্রভাষক। শিক্ষাক্রমের দুটি ধারা ছিল- স্যান্সক্রিটিক স্টাডিজ এন্ড স্যান্সক্রিট এন্ড বেঙ্গলি। প্রতিটি ধারায় ভিন্ন সিলেবাস ছিল এবং সেভাবে ডিগ্রি প্রদত্ত হতো।

১৯৩০-৩১ শিক্ষাবর্ষে বিভাগের নাম হয় ‘স্যান্সক্রিট এন্ড বেঙ্গলি’। ১৯৩৭ সনে ‘সংস্কৃত বিভাগ’ ও ‘বাংলা বিভাগ’ নামে দুটি স্বতন্ত্র বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৪৭ সনে দেশ বিভাগের ফলে সংস্কৃত পঠন-পাঠনে গুরুতর বিপর্যয় ঘটে। একের পর এক শিক্ষকরা চলে যান ভারতে। ১৯৫০-৫১ শিক্ষাবর্ষে সংস্কৃত পাঠদানের জন্য একজন শিক্ষকও ছিলেন না। ফলে বাংলার সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিভাগের পরিবর্তিত নাম হয় ‘বাংলা ও সংস্কৃত’। শিক্ষক ও ছাত্র উভয়ের অভাবে কয়েকটি বছর সংস্কৃতের অধ্যয়ন ও অধ্যাপনা খুবই ব্যাহত হয়। ১৯৫৫-৫৬ শিক্ষাবর্ষে বিভাগীয় প্রধান মুহম্মদ আবদুল হাই-এর প্রচেষ্টা ও আগ্রহে পুনরায় সংস্কৃতের পাঠদান শুরু হয়। ১৯৫৮-৫৯ শিক্ষাবর্ষে চার জন ছাত্র বি. এ. অনার্স শ্রেণিতে ভর্তি হন। এরপর থেকে সংস্কৃতের ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ধীরে ধীরে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়েছে। ১৯৭০-৭১ শিক্ষাবর্ষে বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী এবং মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর আগ্রহে বিভাগ পরিচিতি হয় ‘সংস্কৃত ও পালি বিভাগ’ নামে (৩০ অক্টোবর, ১৯৭০)। রবীন্দ্রনাথ ঘোষঠাকুর বিভাগীয় চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন। এরপর জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে বিভাগের প্রধানের দায়িত্ব পরিবর্তিত হয়। এখানে উল্লেখ্য, একজন চেয়ারম্যানের দায়িত্বকাল তিন বছর। ২০০৭ সন থেকে ‘সংস্কৃত’ এবং ‘পালি এন্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ’ নামে দুটি স্বতন্ত্র বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়। তখন থেকে এটি সংস্কৃত বিভাগ। প্রথম পর্যায়ে সংস্কৃত বিষয়ে সর্বশেষ পিএইচ. ডি. ডিগ্রিপ্রাপ্তি ছিল ১৯৪৮-৪৯ শিক্ষাবর্ষে। এরপর সুদীর্ঘ বছরের ব্যবধানে ১৯৯১ সনে পিএইচ. ডি. ডিগ্রি অর্জন করেন মিসেস কল্পনা হালদার। এখন বিভাগে নিয়মিত এম. ফিল. ও পিএইচ. ডি. গবেষণা চলছে।

১৯৯৯ সন থেকে ‘প্রাচ্যবিদ্যা পত্রিকা’ নামে একটি বার্ষিক গবেষণা পত্রিকা বিভাগ থেকে প্রকাশিত হচ্ছে। ২০১৬ সন থেকে ‘মন্দাক্রান্তা’ নামে সংস্কৃত ভাষায় একটি পত্রিকা প্রকাশ শুরু হয়েছে।

বিভাগে উল্লেখযোগ্য পুস্তক ও জার্নালে সমৃদ্ধ একটি সেমিনার লাইব্রেরি আছে। বিভাগের সঙ্গে যুক্ত আছে ‘অধ্যাপক দিলীপ কুমার ভট্টাচার্য্য গবেষণা কেন্দ্র’। অধ্যাপক ভট্টাচার্য্য তাঁর মৃত্যুর পূর্বে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাঁর প্রাপ্য অর্থের অর্ধেক বিভাগকে উইল করে দিয়ে যান। এই অর্থেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে গবেষণা কেন্দ্রটি। বিভাগে একটি সাংস্কৃতিক ক্লাব এবং একটি ডিবেটিং ক্লাব আছে। এছাড়া ঢাকাস্থ ভারতীয় হাই কমিশনের সহায়তায় বিভাগে একটি উন্নতমানের কম্পিউটার ল্যাব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

বিভাগীয় অধ্যাপক ড. নারায়ণচন্দ্র বিশ্বাসের মাধ্যমে ‘অধ্যাপক নূরুন্নাহার বেগম ট্রাস্ট ফান্ড’ এবং অধ্যাপক ড. ফয়েজুন্নেছা বেগমের মাধ্যমে ‘ড. ফয়েজুন্নেছা বেগম ট্রাস্ট ফান্ড’ নামে দুটি ট্রাস্ট ফান্ড প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই ফান্ড থেকে বিভাগীয় ছাত্র-ছাত্রী নিয়মানুযায়ী বৃত্তি পেয়ে থাকে।

বিভাগ থেকে প্রতিবছর স্টাডি ট্যুর ও পিকনিকের আয়োজন করা হয়। বিভাগীয় ছাত্র-ছাত্রীরা আন্তঃবিভাগীয় ফুটবল, ক্রিকেট ও বাস্কেট বল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।

বিভাগের খ্যাতিমান শিক্ষকদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য - মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, শ্রীশ চন্দ্র চক্রবর্তী, এস. কে দে, পি. সি লাহিড়ী, আর. জি বসাক এবং আর. সি হাজরা যাঁরা বিদ্যার বিভিন্ন শাখায় তাঁদের পাণ্ডিত্যের জন্য সুবিদিত। বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন চর্যাপদ আবিষ্কার ও সম্পাদনা করেন মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ, পাঠোদ্ধার ও সম্পাদনায় তিনি পথিকৃতের ভূমিকা পালন করেছেন। অধ্যাপক এস. কে. দে ও বহু ভাষাবিদ অধ্যাপক মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ তাঁদের পাণ্ডিত্যের জন্য স্বনামে পরিচিত। অধ্যাপক ড. নারায়ণচন্দ্র বিশ্বাস ২০০৭ সনে সংস্কৃত শিক্ষাক্ষেত্রে অসামান্য কৃতিত্ব ও অবদানের জন্য ভারত সরকারের মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় পশ্চিমবঙ্গের পূর্বাঞ্চল একাডেমি অফ ওরিয়েন্টাল স্টাডিজ থেকে ‘বিদ্যালঙ্কার’ উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। অধ্যাপক নিরঞ্জন অধিকারী ২০১২ সনে কোলকাতার চড়কতলা সার্ক কালচারাল ফোরাম কর্তৃক কবি-সাহিত্যিক-ভাষাতত্ত্ববিদ হিসেবে সম্মাননা সনদ লাভ করেছেন।

বর্তমানে সেমিস্টার পদ্ধতিতে চার বছর মেয়াদি বি. এ অনার্স কোর্স এবং এক বছর মেয়াদি এম. এ কোর্স প্রচলিত। এছাড়া আছে এম. ফিল. ও পিএইচ. ডি. কোর্স।

Department of Sanskrit

In 1921 The University of Dhaka started its academic function with three faculties - Arts, Science and Law having fourteen departments in total. The Arts Faculty had eleven departments of which the Department of Sanskrit was one. The name of the department has been changed. At the beginning its name was ‘Department of Sanskritic Studies and Sanskrit & Bengali’. There were six teachers and Mahamahopadhyaya Haraprasad Shastri was the head of the department. Md. Shahidullah was the Lecturer of Bengali. There were two streams of learning here - Sanskritic Studies and Sanskrit & Bengali with different syllabi and the degrees were conferred in that way. The courses were BA Pass, BA Hons, and MA MPhil and PhD degrees were also awarded from here.

In the academic year 1930-31 the name of the department was changed to Department of Sanskrit and Bengali. In 1937 the department was divided into two full-fledged departments - Department of Sanskrit and  Department of Bengali.

During the partition of India in 1947 the study of Sanskrit was seriously affected. The teachers migrated to India one by one. In the session 1950-51 there were no teachers in this Department, so it unified with the Department of Bengali and then the Department was renamed as the ‘Department of Bengali and Sanskrit’.

Due to the scarcity of teachers and students the study of Sanskrit was disrupted very much for some years. In the academic year 1955-56 it restarted due to the attempt and keen interest of Professor Md. Abdul Hye, the Head of the Department. In the academic year 1958-59 four students got admitted in BA Hons. program and since then the number of students has increased gradually.

In 1970-71 the Department regained its independent identity with the name of the Department of Sanskrit and Pali (30 October 1970) due to the attempt of Professor Munier Chowdhury, the Head of the Department and the Vice-Chancellor Justice Abu Sayeed Chowdhury. Mr. Rabindra Nath Ghosh Tagore took over the responsibility of the Head of the Department. After him, the teachers of the Department carried out this duty according to seniority. It is to be mentioned here that the duration of Chairmanship (Head of the Department) is three years. In 2007 the Department was divided into two : the Department of Sanskrit and the Department of Pali and Buddhist Studies. Since then the Department of Sanskrit has been functioning as such.

In the first phase the last PhD degree was awarded from this Department in the session 1948-49. And then after many years in 1991 Mrs. Kalpana Halder was awarded PhD degree. Now the MPhil and PhD research work is going on regularly in the department.

From 1999 an annual research journal entitled Prachyavidya Patrika is being published by the Department. From 2016 a Sanskrit journal entitled Mandakranta is being published.

The department has a rich seminar library with valuable books and journals. There is a research centre in the name of ‘Professor Dilip Kumar Bhattacharyya Research Centre’ at the department. Professor Bhattacharyya, before his death, donated 50% of his wealth to the Department by a will. With this donation the centre was established.

There is a ‘Cultural Club’ and a ‘Debating Club’ in the Department. Except these there is a rich Computer Lab in the Department which was established with the help of the High Commission of India, Dhaka.

A trust fund named ‘Professor Nurunnahar Begum Trust Fund’ has been founded by Professor Narayan Chandra Biswas. Another trust fund named ‘Dr. Faizunnesa Begum Trust Fund’ has been founded by Professor Faizunnesa Begum in the Department. From these funds a few students of the Department get scholarships according to the rules of the funds.

Every year study tour and picnic are arranged by the Department. Students of the Department take part in Inter-department Football, Cricket and Basketball competitions.

Among the reputed teachers were Mahamahopadhyaya Haraprasad Shastri, Shrish Chandra Chakraborty, SK De, PC Lahiri, RG Basak and RC Hazra, who were well known for their scholarship in different schools of learning. M M Haraprasad Shastri discovered and edited Charyapada the earliest extent writing Bengali literature.  He played a pioneering role for collecting, deciphering and editing manuscripts. Prof SK De and Professor Md. Shahidullah are known by name for their scholarship. In 2007 Professor Narayan Chandra Biswas was awarded the title of ‘Vidyalankara’ for his outstanding achievement and contribution to the field of Sanskrit Education by the Purbanchal Academy of Oriental Studies, West Bengal, in association with the Ministry of Human Resources Development, Govternment of India. In 2012 Professor Niranjan Adhikary was honoured as a Poet-literateur-linguist by the Chadaktala SAARC Cultural Forum, Kolkata.

The present Chairperson Chandana Rani Biswas is an Assistant Professor.

At present four-year BA Honours and one-year MA program are going on following the semester system. MPhil and PhD degrees are also offered.


সংস্কৃত বিভাগ

একাডেমিক প্রোগ্রাম (১ জানুয়ারি ২০১৯ – ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯)

শ্রেণি

ভর্তির শিক্ষাবর্ষ

পরীক্ষার সন

ক্লাস শুরু

হওয়ার তারিখ

মিডটার্ম পরীক্ষার

তারিখ

ক্লাস শেষ

হওয়ার তারিখ

পরীক্ষা আরম্ভের

তারিখ

পরীক্ষা শেষ

হওয়ার তারিখ

১ম বর্ষ সম্মান ১ম সেমি

২০১৮ - ২০১৯

২০১৯

০১-০১-২০১৯

 মার্চ/এপ্রিল

২০১৯

৯-০৫-২০১৯

২০-০৫-২০১৯

৩-০৬-২০১৯

১ম বর্ষ সম্মান ২য় সেমি

২০১৮ - ২০১৯

২০১৯

০২-০৭-২০১৯

  সেপ্টেম্বর /অক্টোবর

২০১৯

১০-১১- ২০১৯

২০-১১- ২০১৯

৫-১২-২০১৯

২য় বর্ষ সম্মান ৩য় সেমি.

২০১৭ - ২০১৮

২০১৯

০১-০১-২০১৯

 মার্চ/এপ্রিল

২০১৯

৯-০৫-২০১৯

২১-০৫-২০১৯

০৩-০৬- ২০১৯

২য় বর্ষ  সম্মান ৪র্থ সেমি.

২০১৭ - ২০১৮

২০১৯

০২-০৭-২০১৯

  সেপ্টেম্বর /অক্টোবর

২০১৯

১০-১১- ২০১৯

২১-১১-২০১৯

১০-১২-২০১৯

৩য় বর্ষ  সম্মান ৫ম সেমি.

২০১৬ - ২০১৭

২০১৯

০১-০১-২০১৯

 মার্চ/এপ্রিল

২০১৯

৯-০৫-২০১৯

১৯-০৫-২০১৯

২-০৬-২০১৯

৩য় বর্ষ  সম্মান ৬ষ্ঠ সেমি.

২০১৬ - ২০১৭

২০১৯

০২-০৭-২০১৯

সেপ্টেম্বর /অক্টোবর

২০১৯

১০-১১- ২০১৯

২০-১১- ২০১৯

৮-১২-২০১৯

৪র্থ বর্ষ  সম্মান ৭ম সেমি.

২০১৫ - ২০১৬

২০১৯

০১-০১-২০১৯

 মার্চ/এপ্রিল

২০১৯

৯-০৫-২০১৯

১৯-০৫-২০১৯

২-০৬-২০১৯

৪র্থ বর্ষ  সম্মান ৮ম সেমি.

২০১৫ - ২০১৬

২০১৯

০২-০৭-২০১৯

সেপ্টেম্বর /অক্টোবর

২০১৯

১০-১১- ২০১৯

২০-১১- ২০১৯

১০-১২-২০১৯

এমএ ১ম সেমি.

২০১৮ - ২০১৯

২০১৯

০১-০১-২০১৯

 মার্চ/এপ্রিল

২০১৯

৯-০৫-২০১৯

২২-০৫-২০১৯

৩-০৬-২০১৯

এমএ ২য় সেমি.

২০১৮ - ২০১৯

২০১৯

০২-০৭-২০১৯

সেপ্টেম্বর /অক্টোবর

২০১৯

১০-১১- ২০১৯

২৪-১১-২০১৯

১২-১২-২০১৯