বিশ্বের বৃহত্তম বাস্তুচ্যুতি জনগোষ্ঠীর মধ্যে বাংলাদেশের স্থান পঞ্চম

বিশ্বের বৃহত্তম বাস্তুচ্যুতি জনগোষ্ঠীর মধ্যে বাংলাদেশের স্থান পঞ্চম। বাস্তুচ্যুত মানুষের কারণে ঢাকার পরিবেশ বিপন্ন হচ্ছে, সেবার মান কমছে এবং নগর অর্থনীতির উপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে।  ৬ জুন ২০১৮ বুধবার আর আই খান মিলনায়তনে “জলবায়ু পরিবর্তনজনিত নগর সমস্যা ও বাস্তুচ্যুত মানুষের নগরে অভিগমন ও অভিযোজন : ঢাকা মহানগরের উপর গবেষণার ফলাফল প্রকাশ” শীর্ষক সেমিনারে এই তথ্য জানানো হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের নজরুল ইসলাম আরবান স্টুডিও এবং বাংলাদেশ জলবায়ু ট্রাস্টের যৌথ উদ্যোগে এই সেমিনার আয়োজন করা হয়। 

 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে সেমিনারে পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি প্রধান অতিথি এবং পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনের সভাপতি ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমদ ও বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীপক কান্তি পাল বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। গবেষণার সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করেন গবেষণা প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. নুরুল ইসলাম নাজেম। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ড. হাফিজা খাতুন। 

    পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি বলেন, বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থানের কারণে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের ঝুঁকি বেশি। গবেষণার মাধ্যমে সম্ভাব্য ঝুঁকিসমূহ চিহ্নিত করতে হবে এবং সমাধানের উপায় বের করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টির উপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ পরিবেশের সার্বিক উন্নয়নে মানুষের মানসিকতার পরিবর্তন ঘটাতে হবে। তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় কার্যকর ও টেকসই প্রকল্প গ্রহণের উপর গুরুত্বারোপ করেন। 

    উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বিশ্বের প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বৃহত্তম বাস্তুচ্যুত দেশসমূহের কর্ম-পরিকল্পনাও এক্ষেত্রে বিশ্লেষণ করা যেতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনসহ পরিবেশ বিষয়ক সার্বিক গবেষণা গতিশীল করতে শিগ্গিরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘গ্রীন হাউজ’ নির্মাণ করা হবে বলে তিনি জানান।  

    গবেষণা প্রতিবেদনে জানানো হয়- নদী ভাঙ্গন, বন্যা, সাইক্লোন, জলাবদ্ধতা ও খরার কারণে বাংলাদেশে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। ঢাকা মহানগরের ২০ শতাংশ এলাকাকে জলবায়ু বিপদাপন্ন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়, অপরিকল্পিত নগরায়ন ও দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা ঢাকার জলাবদ্ধতার জন্য দায়ী। প্রতিবেদনে ঢাকামুখী অভিবাসনের জন্য নীতিমালা প্রণয়ন, গ্রামে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বার্থে ভূমি ব্যবহার পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং সর্বত্র সুশাসন প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করা হয়।   
--------------
(মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম)
উপ-পরিচালক 
জনসংযোগ দফতর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান ৬ জুন ২০১৮ বুধবার আর আই খান মিলনায়তনে “জলবায়ু পরিবর্তনজনিত নগর সমস্যা ও বাস্তুচ্যুত মানুষের নগরে অভিগমন ও অভিযোজন : ঢাকা মহানগরের উপর গবেষণার ফলাফল প্রকাশ” শীর্ষক সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের নজরুল ইসলাম আরবান স্টুডিও এবং বাংলাদেশ জলবায়ু ট্রাস্টের যৌথ উদ্যোগে এই সেমিনার আয়োজন করা হয়। সেমিনারে পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। (ছবি: ঢাবি জনসংযোগ)

News and Events
  • UK team meets DU VC

    19/02/2019

    Read more...
  • 10 DU students get NEF of Japan scholarship

    19/02/2019

    Read more...
  • চারুকলা অনুষদে ‘অবিন্তা আর্কাইভ ওয়েবসাইট’ ও ‘লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার’ উদ্বোধন

    19/02/2019

    Read more...
  • মহান একুশে উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যাতায়াতের রুট ম্যাপের বিবরণ

    18/02/2019

    Read more...
  • মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ভাবগাম্ভীর্য বজায় রাখার জন্য ঢাবি উপাচার্যের আহ্বান

    18/02/2019

    Read more...
  • ঢাবি ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

    17/02/2019

    Read more...
  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার দেয়ালসমূহে কোন ছবি পোস্টার ও ব্যানার লাগানো যাবে না

    17/02/2019

    Read more...